• শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিব, জিয়াউর রহমান ও জাতীয় নেতৃবৃন্দকে শ্রদ্ধা নিবেদন করে জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় খালেদা জিয়া।**************বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমজনাব স্পীকার, আসসালামু আলাইকুম। আপনাকে ধন্যবাদ। নবম জাতীয় সংসদের সর্বশেষ বাজেট সেশন এটি। জাতীয় জীবনের এক ক্রান্তিকালে বর্তমান অধিবেশনটি চলছে। এই অধিবেশনেই নতুন স্পীকার হিসাবে আপনি দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনাকে অভিনন্দন।আমি আমাদের ভাষা আন্দোলন, বিভিন্ন জাতীয় সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি এদেশের বীর জনগণ ও জাতীয় ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি শ্...more..
  • কেমন মানুষ ছিলেন জিয়াউর রহমান? একজন রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি কেমন ছিলেন? কেমন ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিক হিসেবে? চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ১৯৮১ সালের ৩০ মে কিছু বিপথগামী সেনার হাতে শাহাদতবরণের পর জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে জিয়াউর রহমানকে মূল্যায়ন করেছেন সে সময়কার দেশের শীর্ষ রাজনীতিকরা। তত্কালীন বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগের আছাদুজ্জামান খান বলেছিলেন, মরহুম জিয়াউর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ২৬ মার্চ তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, জাতি সেটা স্মরণ করবে। তখনকার গণতন্ত্রী পার্টির এমপি ও বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছিলেন, জিয়াউর রহমানের জানাজায় অংশ নিয়ে লাখ লাখ জনতার স্রোত তাতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। তার প্রতি গোটা বাংলাদেশের মানুষ তাদের অনুভূতি প্রক...more..
  • বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। স্বাধীনতার ৪২ বছরে পা দিলেও মানুষের কাঙ্ক্ষিত মুক্তি হয়নি। রাষ্ট্রের যথোপযুক্ত দর্শন ও নেতৃত্বের অনুপস্থিতি আজ স্পষ্ট। নেতৃত্ব ক্ষমতাকেন্দ্রিকতার নেশায় ডুবে আছে, যা জাতিকে বারবার সঙ্কটের মুখোমুখি করছে। এমনই এক কালো সময়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে তাকে নিয়ে লিখছি। নির্দ্বিধায় বলা যায়, দেশ ও মানুষকে নিয়ে জিয়াউর রহমান যেভাবে ভেবেছেন, কাজ করেছেন, রাষ্ট্রের দার্শনিক ভিত্তি তৈরি করেছেন, সবকিছুর ঊর্ধ্বে দেশকে গুরুত্ব দিয়েছেন—এসবের মাধ্যমে তিনি এক ব্যতিক্রমী রাষ্ট্রনায়কের আসনে বসেছেন। তিনি দেশ গড়ার ভিশনকে ক্ষমতা ও সময়ের মাপকাঠির বাইরে রেখেছিলেন। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভিত্তি মূলত জিয়াউর রহমানই গড়ে তুলেছেন। এজন্য একদিকে ‘বাংলা...more..
  • এক দেশ – দুই নেতা। দুই রহমান: বাংলাদেশের দুই সৈনিক। একজন আপোষকামী। আরেকজন আপোষহীন। একজন ধরা দিয়েছেন। আরেকজন বিদ্রোহ করেছেন। একজন জনতাকে উত্তেজিত করে ক্ষমতায় যেতে চেয়েছেন। দেশ বাঁচাতে অন্যজন অস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পরেছেন। একজন নিজের লোকদের শরনার্থী বানিয়েছেন। নিজের লোক নিয়ে অন্যজন যুদ্ধের ময়দানে চললেন। একজন চাইলেন পাকিস্তান কনফেডারেশন। অন্যজন বাংলাদেশকে স্বাধীন ঘোষণা করলেন। একজন মুক্তদেশে ফিরেই ক্ষমতায় বসলেন। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করলেন অন্যজন। একনেতা দেশ চালাতে গিয়ে চরমভাবে ব্যর্থ হলেন। রাষ্ট্র পুনর্গঠনে চুড়ান্তভাবে সফল হলেন অন্যজন। একজন দুর্ভিক্ষে লাখ লাখ মানুষ মার...more..