ভারত সফর সফল হয়েছে: সাংবাদিক সম্মেলনে তরিকুল

ভারত প্রশ্নে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। গতকাল গুলশান কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সদ্যসমাপ্ত ভারত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার ভারত সফরের মধ্য দিয়ে দলের নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমরা আগে যে অবস্থানে ছিলাম, এখনও সেই অবস্থানে আছি। বরং দেশের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো যা আমরা বারবার বলে আসছিলাম, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে তুলে ধরার জন্য এই সফর সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে বলে আমরা মনে করি। তিনি বলেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে অবশ্যই আমরা সুসম্পর্ক চাই। চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, দু’দেশের জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন অপরিহার্য।
খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক ভারত সফরের বিভিন্ন দিক সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিএনপি কখনও ভারতের বিরোধিতা করেনি। সবসময় জাতীয় স্বার্থের কথা বলেছেন। আমরা জাতীয় স্বার্থের কথা বলি। অধিকার ন্যায্যভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করি। তিনি গণমাধ্যমের কাছে প্রশ্ন রাখেন, ভারতবিরোধীর সংজ্ঞা কী? সীমান্তে ফেলানীর লাশ ঝুলে থাকলে, মানুষ হত্যা হলে—এসবের প্রতিবাদ করলে কি ভারতবিরোধী হয়ে গেলাম? একইভাবে আমরা যদি অন্যায্য কিছু করি, ভারত কি তার প্রতিবাদ করতে পারবে না?
উল্লেখ্য, খালেদা জিয়া ভারত সফরে গেলে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় টকশো ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সাক্ষাত্কার দিয়ে বুদ্ধিজীবী ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষকরা অভিমত দেন, দীর্ঘদিন ভারত বিরোধিতা করার যে নীতি বিএনপির ছিল, খালেদা জিয়ার সফরের মধ্য দিয়ে তা থেকে সরে আসতে চাইছে দলটি। আওয়ামী ঘরানার বুদ্ধিজীবীরা এও বলেছেন, ভারত বিরোধিতার কারণে বিএনপির যে ভোটব্যাংক রয়েছে, এই নীতির পরিবর্তনে তাতেও টান পড়বে।
সপ্তাহব্যাপী সফর শেষ করে গত ৩ নভেম্বর খালেদা জিয়া নয়াদিল্লি থেকে দেশে ফেরেন। সফরকালে বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রনায়কোচিত সম্মান, মর্যাদা ও আতিথেয়তা দেখানোয় ভারত সরকারকে ধন্যবাদও জানান তিনি। খালেদা জিয়ার ভারত সফরকে তরিকুল ইসলাম দু’পক্ষের সম্পর্কের শুভ সূচনা বলে উল্লেখ করেন।
সাবেক তথ্যমন্ত্রী তরিকুল ইসলাম বলেন, ভারত সফরকালে খালেদা জিয়া অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ, সীমান্তহত্যা বন্ধ, বৃহত্তর কানেকটিভিটি, বাণিজ্য বৈষম্য হ্রাস, ছিটমহল বিনিময় ও সীমানা চিহ্নিতকরণ চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়নসহ প্রভৃতি বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ও প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করেন। এসব বিষয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানে পৌঁছানোর ব্যাপারে উভয় নেতা একমত হন বলে জানান তিনি। ভারত সফরকালে খালেদা জিয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশীদ, জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা শিবশংকর মেনন ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা সুষমা স্বরাজের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
নয়াদিল্লি থেকে দেশে ফেরার পথে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের কাছে খালেদা জিয়া ভারত সফর সফল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন।
ভারত সফর ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয় : তরিকুল ইসলাম বলেন, ক্ষমতায় যেতে নয়—দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে ন্যায্য দাবিগুলো তুলে ধরতে খালেদা জিয়া ভারত সফর করেছেন। এই সফরের মধ্য দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বিরাজমান সমস্যাবলির নিরসন ও সহযোগিতার এক নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক কোনো ঘটনা নয়, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। উভয় পক্ষ সমমর্যাদার ভিত্তিতে আন্তরিকভাবে কাজ করে গেলে এই সফরের সাফল্য এগিয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
সোনিয়া গান্ধীর সাক্ষাত্ না হওয়া প্রসঙ্গে : তরিকুল ইসলাম বলেন, ভারতের ক্ষমতাসীন দল কংগ্রেস ও ইউনাইটেড পিপলস অ্যালায়েন্স (ইউপিএ) প্রধান সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাতের কোনো কর্মসূচি ছিল না। সোনিয়া গান্ধী হিমাচল ও মহারাষ্ট্রের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ পুনর্গঠনের কাজে তার ব্যস্ততার কারণে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর সাক্ষাত্ হবে না, তা আগেই আমাদের অবহিত করেছিল ভারত। তাই এ নিয়ে বিভ্রান্তির কিছু নেই। তবে তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার প্রতি যেভাবে রাষ্ট্রীয় আতিথেয়তা দেখানো হয়েছে—তা থেকে বোঝা যায়, কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর নির্দেশ ছাড়া খালেদা জিয়ার ভারত সফর হয়নি। সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে খালেদা জিয়ার সাক্ষাত্ না হওয়ার পরও এ সফরকে সফল বলা যাবে কি—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তরিকুল ইসলাম উপরোক্ত কথা বলেন।
উল্লেখ্য, সোনিয়া গান্ধী খালেদা জিয়ার সফর মূল্যায়ন করে প্রতিবেদন তৈরির জন্য একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। কংগ্রেসের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ড. করণ সিংকে এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়ার পর দলীয় ফোরামে এ নিয়ে আলোচনা করে বিএনপি ও কংগ্রেসের সম্পর্কের বিষয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। নয়াদিল্লির রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সূত্রে মিডিয়ায় এ খবর ছাপা হয়েছে। সে দেশের বিশ্লেষকরা জানান, খালেদা জিয়ার সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর সাক্ষাত্ কিংবা বৈঠক না হলেও ভারত সরকার এ সফরকে যে খুবই গুরুত্ব দিয়েছে, সফরটির মূল্যায়নের জন্য সোনিয়া গান্ধীর কমিটি গঠন করে দেয়াই সেটা প্রমাণ করে।
ট্রানজিট নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি : ভারত সফরকালে খালেদা জিয়া কোথাও ট্রানজিট বিষয়ে আলোচনা করেননি বলে জানিয়েছেন তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা বৃহত্তর কানেকটিভিটি নিয়ে ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। খালেদা জিয়া বলেছেন, কেবল দু’দেশের মধ্যে নয়— দক্ষিণ এশিয়া ও দূরপ্রাচ্যে এই কানেকটিভিটি সম্প্রসারণ করতে হবে।
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করতে না দেয়া প্রসঙ্গে : ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় খালেদা জিয়া ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করতে না দেয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও ভারতের ভূমি যাতে ব্যবহার না হয়, তাও বলেছেন—এ প্রসঙ্গটি উত্থাপন করে তরিকুল বলেন, তাই এখানে কোনো বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।
গোপন চুক্তি প্রসঙ্গে : সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও দলের সহ-সভাপতি শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, ভারত সফরে বর্তমান সরকারের আমলে সেদেশের সঙ্গে যে বিভিন্ন চুক্তি হয়েছে, সেসব বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে গত সেপ্টেম্বরে ঢাকায় যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সফর করছিলেন, তখন তার সঙ্গে দেখা করে খালেদা জিয়া বলেছিলেন, যদি কোনো চুক্তিতে দেশের স্বার্থবিরোধী কিছু থাকে, তা দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতে পুনর্বিবেচনা করা হবে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী তাতে কোনো আপত্তি করেননি।
আগামী সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে : তরিকুল ইসলাম বলেন, ভারত সফরকালে দেশের রাজনীতি ও নির্বাচন প্রসঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। এটি একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ভারতেও নির্বাচন হচ্ছে, তারা কি এটি আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে? তাহলে আমরা কেন করতে যাব?
ভারত সফরের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের একদলীয় নির্বাচনের পরিকল্পনা ধূলিসাত্ হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিংবা এদেশের রাজনীতির কোনো বিষয়ই ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়নি। তবে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের একদলীয় নির্বাচনের পরিকল্পনা তো এখনই ধূলিসাত্। এই পরিকল্পনা ধূলিসাত্ হতে বাধ্য।
তিনি বলেন, আমরা আমাদের অমীমাংসিত ও দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা মনে করি, আমাদের ন্যায্য অধিকারগুলো তুলে ধরা প্রয়োজন। এটা ঠিক, ভারত আমাদের নিকট প্রতিবেশী। এই প্রতিবেশী পাল্টানো যাবে না। তাই আলোচনার মাধ্যমে আমাদের সমস্যা সমাধান করতে হবে।
গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণে কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাব : তরিকুল ইসলাম বলেন, কনসোর্টিয়ামের ভিত্তিতে বঙ্গোপসাগরের সোনাদিয়া দ্বীপে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণে চীন ও ভারত উভয় দেশকে অংশীদার হওয়ার প্রস্তাব করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশ উপকৃত হবে এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
হিমালয় অববাহিকার দেশগুলোকে নিয়ে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গঠন : তরিকুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়া হিমালয় অববাহিকার দেশগুলোর সমন্বয়ে পানিসম্পদের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার ও সুষম বণ্টনের লক্ষ্যে একটি পানি ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন। চীন ও ভারত উভয় দেশ এটি বিবেচনার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। এই ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন হলে তা এ অঞ্চলের জনগণের কল্যাণে ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী অগ্রগতি হবে।
তিস্তা নদীর পানি ভাগাভাগি ও টিপাইমুখ ড্যাম প্রসঙ্গ : তরিকুল ইসলাম জানান, ভারতের সঙ্গে শিগগির তিস্তা চুক্তি হবে এবং বাংলাদেশ তার ন্যায্য হিস্যা পাবে বলে আশা করছে বিএনপি। অভিন্ন অন্যান্য নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার বিষয়টিও খালেদা জিয়া তার সফরকালে ভারতীয় নেতাদের কাছে তুলে ধরেন। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত পর্যায়ক্রমে এ বিষয়ে সমাধানে পৌঁছার ব্যাপারে তারা একমত হন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, তিস্তা নদীর পানি ভাগাভাগির বিষয়ে অবিলম্বে একটি ফয়সালা চেয়েছেন খালেদা জিয়া। ভারত এতে সম্মত হয়েছে। ওই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশীদ এ বিষয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেবেন বলেও খালেদা জিয়াকে কথা দিয়েছেন।
তরিকুল ইসলাম বলেন, টিপাইমুখ ড্যাম নির্মাণের পর পরিবেশ, অর্থনীতি, প্রাণবৈচিত্র্য, কৃষি ও উত্পাদন খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারে, তা নির্ণয়ের জন্য উভয় দেশের গ্রহণযোগ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি যৌথ জরিপ দল গঠনের ব্যাপারে খালেদা জিয়া তার আগের অবস্থান ভারতীয় নেতাদের কাছে তুলে ধরেন। এই সমীক্ষা রিপোর্টের আগপর্যন্ত টিপাইমুখ ড্যাম নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার আহ্বান জানান তিনি। ভারতীয় নেতারা বলেন, যৌথ জরিপের কাজ চলছে। তারা এ আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ ভারত নেবে না।
সীমান্তে হত্যা প্রসঙ্গে : তরিকুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে হত্যা ও নির্যাতন পুরোপুরি বন্ধের আহ্বান জানালে ভারতীয় নেতারা তাতে একমত পোষণ করেন। এ বিষয়ে অবিলম্বে যৌথ কার্যকর ব্যবস্থা উদ্ভাবন ও প্রয়োগ করা হবে বলেও তারা কথা দিয়েছেন। পারস্পরিক আস্থা, অবিশ্বাস, সন্দেহ দূর করে সামনে অগ্রসর হওয়ার ব্যাপারে দু’পক্ষই একমত হয়েছে।
বাণিজ্য বৈষম্য দূর করা প্রসঙ্গে : খালেদা জিয়া দু’দেশের বাণিজ্য বৈষম্য কমাতে ভারতের প্যারা-ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার তুলে নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ভারতীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ভারতীয় পক্ষ এ ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সম্মত হন। অধিবাসীদের স্থানান্তর না করে ছিটমহল বিনিময় ও সীমানা চিহ্নিত করার ব্যাপারে দু’দেশের চুক্তির আশু বাস্তবায়ন কামনা করেন খালেদা জিয়া। এ ব্যাপারে তিনি ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোরও সহযোগিতা কামনা করেন।