খালেদা জিয়ার রোডমার্চে গতকাল মানুষের ঢল নামে। ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে দুইশ’ পঁয়ষট্টি কিলোমিটার মহাসড়কজুড়েই ছিল জনজোয়ার। সরকারের দুঃশাসন এবং দেশ ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এ রোডমার্চ এক অনন্ত প্রতিবাদ মিছিলে রূপ নেয়। একইসঙ্গে পুরো জনপদ আলোড়িত করে এ রোডমার্চ। বিভিন্ন পথসভায় বেগম খালেদা জিয়া জনদুর্ভোগ ও সরকারের ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরে বক্তৃতা করেন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, সরকারের বেপরোয়া দুর্নীতি, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল, কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন প্রণয়ন, পুলিশের বুটের নিচে মানবাধিকার, সম্পাদকদের গ্রেফতার, মামলা-হয়রানি, বিরোধী দলের নেতাদের মামলা-হয়রানি, ট্রানজিটের নামে করিডোর প্রদান, টিপাইমুখে বাঁধ, তাঁত ও টেক্সটাইল খাত ধ্বংস, অনাহারি মানুষের ডাস্টবিনের খাবার সংগ্রহসহ নিপীড়িত মানুষের মনের কথা তুলে ধরায় উপস্থিত জ...
লোকে লোকরন্য নয়াপল্টন। তিল ধরনের ঠাই নাই। মতিঝিল থেকে ফকিরাপুল, বিজয়নগর, কাকরাইল, শান্তিনগর সর্বত্র কেবল মানুষ আর মানুষ। মহাসমাবেশে ঘন্টাব্যাপী বক্তৃতায় বর্তমান সরকারের অন্যায় অত্যাচারের বর্ননা দিলেন দেশনেত্রী। তিনি বললেন, প্রতিবেশী দেশের টাকায় মইন-ফখরুদ্দিনের সাথে অবৈধ নীলনকশার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে বর্তমান সরকার প্রভুদের কেবল দিয়েই যাচ্ছে--একের পর এক, করিডোর, পোর্ট সবকিছু। এরা মানুষের কল্যানের কথা চিন্তা করে না, কেবল নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের দাম প্রতিনিয়ত বাড়িয়ে জনগনের দুর্ভোগ বাড়িয়ে চলেছে ক্রমাগত। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখন ৫০ টাকায় চাল খাওয়াচ্ছে। সরকারী লোকজন শেয়ার মার্কেট থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। ৩৩ লক্ষ বিনিযোগকারী আজ পথে বসে গেছে। দেশে ন্যায় বিচার বলে কিছু নেই। আওয়ামী লীগের লোক আদালতে ...
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নামে মামলা ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন নেতাকর্মীরা। গতকাল দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব বিক্ষোভ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে দলের নেতাকর্মীরা অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নামে দায়ের করা দুদকের মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। এছাড়া এসব সমাবেশে নেতারা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তীব্র প্রতিবাদ জানান। তারা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ভারতের তাঁবেদার এ সরকারের সব ষড়যন্ত্র বন্ধ না হলে ঈদের পর ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ঘোষণা দেন। বিস্তারিত আমার দেশ-এর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে : চট্...
সাধারন নির্বাচন হয়ে গেলো থাইল্যান্ডে আজ। সে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার ছোট বোন ইংলাক সিনাওয়াত্রা।
বাংলাদেশের সাথে থাইল্যান্ডের একটি চমৎকার মিল রয়েছে। ২০০৬ সালে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা। ১৯৯৪ সালে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে তিনি ২০০১ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হন। বলা হয়ে থাকে তিনি ছিলেন থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী। ২০০৬ সালে বিরোধী দল 'পিপলস এলায়েন্স ফর ডেমোক্রেসি' থাকসিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন শুরু করে। সহিংসতার এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নেয়, উৎখাত করে থাকসিনকে। পরে থাকসিনের দলকে নিষিদ্ধ করা হয়, দুর্নীতির অভিযোগে তাকে জেল দেয়া হয়। তিনি এখন নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন। ২০০৮ সালে সেনা সমর্থন নিয়ে দেশের ক্ষমতায় আসেন অভিজিৎ ভেজ্জাজিভা।
২০০৬ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। বিরোধী দলীয় নেত্...
বর্তমান সরকার কতৃক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার প্রতি দেশের সাধারন জনগনের সমর্থন নাই। এমন চিত্র পাওয়া গেছে বাংলাদেশের কয়েকটি বড় পত্রিকা পরিচালিত জনমত জরিপে।
গত ১ জুলাই ঢাকা থেকে প্রকাশিত 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' পত্রিকার অনলাইন জরিপের প্রশ্ন ছিলোঃ "খালেদা জিয়া বলেছেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সব সম্ভাবনা তিরোহিত হলো। আপনার মত কি?" এ জরিপে মোট ভোট পড়েছে ২৭৪৮। ফলাফলে দেখা যায়, এর পক্ষে ২৭২২জন এবং বিপক্ষে ২৫ জন ভোট দিয়েছেন, মতামত দেননি ১ জন। দেখা যায়, ৯৯.০৫ % মানুষ খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। উল্লেখ্য, এ পত্রিকার মালিক হচ্ছেন বসুন্ধরার মালিক আহমদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলম। তিনি বর্তমান সরকার সমর্থক হিসাবে সর্বমহলে পরিচিত।
দেশের প্রাচিন পত্রিকা ইত্তেফাক ২ জুলাই জরিপ করেছে। প্রশ্ন ছিলো, "তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলে দেশে ভয়াবহ সংকট স...
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করা হলে আগামীতে গ্রহণযোগ্য ও অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গুলশান কার্যালয়ে সফররত জার্মান অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী দির্ক নাইবেল এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের উন্নয়ন বিষয়ক কমিশনার আন্দ্রিস পাইব্লাগস এর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন। বৈঠকে বেগম খালেদা জিয়া সফররত মন্ত্রীদের বলেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের আন্দোলনের ফলেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি সংবিধানে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছিল। এই ব্যবস্থা বাতিল হলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে না। বৈঠক শেষে সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী এসব কথা জানান। এরআগে গুলশান কার্যালয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে একঘ...
